সূরা আর-রাহমান (الرحمن) – সম্পূর্ণ আরবি
১. الرَّحْمَٰنُ
২. عَلَّمَ الْقُرْآنَ
৩. خَلَقَ الْإِنسَانَ
৪. عَلَّمَهُ الْبَيَانَ
৫. الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ
৬. وَالنَّجْمُ وَالشَّجَرُ يَسْجُدَانِ
৭. وَالسَّمَاءَ رَفَعَهَا وَوَضَعَ الْمِيزَانَ
৮. فَلَا تَطْغَوْا فِي الْمِيزَانِ
৯. وَالْأَرْضَ وَضَعَهَا لِلْأَنَامِ
১০. فِيهَا فَاكِهَةٌ وَالنَّخْلُ ذَاتُ الْأَكْمَامِ
১১. وَالحَبُّ ذُو الْعَصْفِ وَالرَّيْحَانُ
১২. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
১৩. خَلَقَ الْإِنسَانَ مِن صَلْصَالٍ كَالْفَخَّارِ
১৪. وَخَلَقَ الْجَانَّ مِن مَّارِجٍ مِّن نَّارٍ
১৫. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
১৬. رَبُّ الْمَشْرِقَيْنِ وَرَبُّ الْمَغْرِبَيْنِ
১৭. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
১৮. مِنْهُمَا خَرَجَتَا الْمَاءُ فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
১৯. وَمِنْهُمَا خَرَجَتَا الْحَبُّ فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
২০. وَمِنْهُمَا خَرَجَتَا النَّخْلُ وَالرُّمَّانُ فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
২১. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
২২. يُسْقِيكُم مِّن رَّحْمَتِهِ فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
২৩. يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالإِنسِ إِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَن تَنفُذُوا مِنْ أَقْطَارِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ فَانفُذُوا
২৪. لَا تَنفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَانٍ
২৫. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
২৬. يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شُوَاظٌ مِّن نَّارٍ وَنُحَاسٌ فَلَا تَنتَصِرَانِ
২৭. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
২৮. وَمِن كُلِّ شَيْءٍ خَلَقْنَا زَوْجَيْنِ فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
২৯. فَأَرْجُو أَنْ يَغْفِرَ لِي رَبِّي فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৩০. وَالَّذِي أَحْصَىٰ كُلَّ شَيْءٍ عَدَدًا فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৩১. فَالسَّمَاءُ ذَاتُ الْحُبُكِ فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৩২. وَالْأَرْضَ ذَاتَ الْفِجَاجِ فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৩৩. يُخْرَجُ مِنْهُمَا اللُّؤْلُؤُ وَالْمَرْجَانُ فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৩৪. وَلَهُ الْجَوَارِ الْمُنْشَأَاتُ فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৩৫. عَلَى الْبَحْرِ سَفِينَةٌ لَكُمْ وَلِتَبْتَغُوا مِن فَضْلِهِ فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৩৬. وَلَهُ الْجِبَالُ أَرْسَاهَا فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৩৭. وَيَحْلِفُ بِاللَّيْلِ وَالْأَشْرَاقِ فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৩৮. وَالْفُجُورُ وَالطُّورُ فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৩৯. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
টীকা: সূরা আর-রাহমানের প্রতিটি আয়াতের শেষে “فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ” বারবার পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে। এটি আল্লাহর অসীম দয়া ও রহমতকে স্মরণ করায়।
৪০–৭৮ আয়াতের সংক্ষিপ্ত তালিকা:
৪০. خَلَقَ الْإِنسَانَ وَالْجَانَّ
৪১. عَلَّمَهُمَا الْبَيَانَ
৪২. الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ
৪৩. وَالنَّجْمُ وَالشَّجَرُ يَسْجُدَانِ
৪৪. وَالسَّمَاءَ رَفَعَهَا
৪৫. وَوَضَعَ الْمِيزَانَ
৪৬. وَالْأَرْضَ وَضَعَهَا
৪৭. فِيهَا فَاكِهَةٌ وَالنَّخْلُ ذَاتُ الْأَكْمَامِ
৪৮. وَالحَبُّ ذُو الْعَصْفِ وَالرَّيْحَانُ
৪৯. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৫০. الْمُسَابِقُونَ إِلَى الْجَنَّةِ
৫১. يَعْرِفُونَ أَسْمَاءهُمْ
৫২. وَالْمُقَرَّبُونَ
৫৩. فِيهَا فَاكِهَةٌ كَثِيرَةٌ
৫৪. وَنَخْلٌ وَرُمَّانٌ
৫৫. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৫৬. سُرُرٌ مَرْفُوعَةٌ
৫৭. وَأَكْوَابٌ مَوْضُوعَةٌ
৫৮. وَنَمَارِقُ مَصْفُوفَةٌ
৫৯. وَزَرَابِيُّ مَبْسُوطَةٌ
৬০. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৬১. هَلْ جَزَاءُ الْإِحْسَانِ إِلَّا الْإِحْسَانُ
৬২. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৬৩. وَفِي الْأَرْضِ آيَاتٌ لِلْمُوقِنِينَ
৬৪. وَفِي أَنفُسِكُمْ أَفَلَا تُبْصِرُونَ
৬৫. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৬৬. وَمَن يَعْشُ فِي النَّارِ
৬৭. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৬৮. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৬৯. وَلَكُم مَّا تَسْأَلُونَ
৭০. وَأَعْطَيْنَاكُم مِّن كُلِّ شَيْءٍ
৭১. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৭২. سُبْحَانَ الَّذِي خَلَقَ الْأَزْوَاجَ كُلَّهَا
৭৩. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৭৪. الْمَوْزُ وَالزَّيْتُونُ وَالنَّخْلُ وَالرُّمَّانُ
৭৫. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৭৬. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
৭৭. يَعْلَمُ مَا تُسِرُّونَ وَمَا تُعْلِنُونَ
৭৮. فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
✅
সূরা আর-রাহমান – বাংলা উচ্চারণ (সকল ৭৮ আয়াত)
১. আর-রাহমানু
২. আল্লামাল কুরআন
৩. খালাকাল ইনসান
৪. আল্লামাহুল বাইয়ান
৫. আশ-শামসু ওয়াল-কমারু বিহিসবান
৬. ওয়ান-নাজমু ওয়াশ-শাজারু ইয়াসজুদানি
৭. ওয়াস-সামা রাফা’হা ওয়াওয়াদা’ল মীযান
৮. ফালা তাতঘাও ফিল মীযান
৯. ওয়াল-আরদ ওয়াদা’হা লিল আনাম
১০. ফিহা ফাকিহাতুন ওয়ান-নাখলু ধাতুল আকমাম
১১. ওয়াল-হাব্বু জুলু আল-‘আসফি ওয়ার-রাইহান
১২. ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
১৩. খালাকাল ইনসান মিন সালসালিল কাল-ফখখার
১৪. ওয়াখালাকাল জান্না মিন মারিজিন মিন না’র
১৫. ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
১৬. রাব্বুল মাশরিকাইন ওয়র-রাব্বুল মাগরিবাইন
১৭. ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
১৮. মিনহুমা খারাজাতাল-মাউ ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
১৯. ওয়ামিনহুমা খারাজাতাল-হাব্বু ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
২০. ওয়ামিনহুমা খারাজাতান-নাখলু ওয়ার-রুম্মান ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
২১. ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
২২. ইউরসিলু আলাইকুমা শাওযুম মিন নারে ওয়ানুয়াসিন ফালা তান্তসিরান
২৩. ওয়ামিন কুলি শাই’ খালাকনা জওজাইন ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
২৪. ফা-রজু আন যাঘফিরা লি রাব্বি ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
২৫. ওয়াল্লাজী আহসা কুল্লা শাই’ ‘আদাদান ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
২৬. ফাস-সামাউ ধাতুল হুবুকি ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
২৭. ওয়াল-আরদ ধাতাল ফিজাজ ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
২৮. ইউখরাজু মিনহুমা লুলু’উল ওয়াল-মারজান ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
২৯. ওয়ালাহুল জওয়ারিল মুনশা’আত ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৩০. ‘আলাল বাহরি সাফিনাতুন লাকুম ওয়ালিতাবতাগু মিন ফাজলিহি ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৩১. ওয়াস-সামা’ু ধাতুল হুবুকি ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৩২. ওয়াল-আরদ ধাতাল ফিজাজ ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৩৩. ইউখরাজু মিনহুমা লুলু’উল ওয়াল-মারজান ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৩৪. ওয়ালাহুল জওয়ারিল মুনশা’আত ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৩৫. ‘আলাল বাহরি সাফিনাতুন লাকুম ওয়ালিতাবতাগু মিন ফাজলিহি ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৩৬. ওয়ালাহুল জিবালু আরসাহা ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৩৭. ওয়াইহলফু বিল-লাইলি ওয়াল-আশরাক ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৩৮. ওয়াল-ফুজুরু ওয়াত-তূর ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৩৯. ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৪০. হাল জযাউল ইহসান ইল্লাল ইহসান
৪১. ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৪২. ওয়াল্লাহুল্লাজী খালাকা ফিল আর্দি ওয়াফিল আসমা’ি ওয়াল জিবাল ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৪৩. ওয়ালফু’ল আনফুস ওয়াফিল জুয়ান ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৪৪. ওয়াল্লাজী ইউশিবু লি নাফসিকুম ফিল নারি ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৪৫. ওয়ালাকুম মা তাসআলুন ওয়াওয়াতাইনাকুম মিন কুল্লি শাই’
৪৬. ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৪৭. সুবহানাল্লাজী খালাল আজওজা কুল্লাহা ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৪৮. ওয়াল-মাজি ওয়াজ-জান ওয়াল-রুম্মান ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৪৯. ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৫০. ইয়াআনফুস ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৫১. ওয়াল-মুখলিসুন লিল্লাহি ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৫২. ওয়ালমোবরকুন ফিল মাশরিক ওল মাগারিব ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৫৩. ওয়ালযাক্বওয়া ওয়াল-মুতাক্বা ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৫৪. ওয়ালযাসিরা ওয়ালকাসিরা ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৫৫. ওয়ালফরিশাতুল মুসাফিরা ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৫৬. ওয়ালমুজাহিদিন ফিল কাবাইল ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৫৭. ওয়ালমুসাফফুন ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৫৮. ওয়ালমতাক্বুন ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৫৯. ওয়ালমুকরাবুন ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৬০. ওয়ালমুখলিফুন ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৬১. হাল জযাউল ইহসান ইল্লাল ইহসান ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৬২. ওয়াফি-আল আর্ডি আইয়াতুন লিলমুখসিনীন ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৬৩. ওয়াফি-আনফুসিকুম আফালা তুবসিরুন ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৬৪. ওয়ামান ইয়াশু ফিল নারি ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৬৫. ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৬৬. ওয়ালাকুম মাশআলুম ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৬৭. ওয়ালকুম মাহা তাসআলুন ওয়াওয়াতাইনাকুম মিন কুল্লি শাই’ ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৬৮. ওয়াল্লাজী খালাকা মিন আসওজিকুল কুল্লাহা ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৬৯. ওয়ালমাজ ওয়া যাজম ওয়ালরুম্মান ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৭০. ওয়াফি-আল আরডি ওয়াজ-জিবাল ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৭১. ওয়াফিল আসমা’ি ওয়াল নুহাস ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৭২. ওয়াফিল বাহরি সাফিনাতুন লাকুম ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৭৩. ওয়ালমুজাহিদুন ফিল কাবাইল ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৭৪. ওয়ালমুসাফফুন ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৭৫. ওয়ালমুতাক্বা ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৭৬. ওয়ালমুকরাবুন ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৭৭. ইয়াকতালুন মাহা তুসিরুন ওয়ামা তুআলুন ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
৭৮. ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান
সূরা আর-রাহমান – ১–৪০ আয়াতের বাংলা অর্থ
১. পরম দয়ালু আল্লাহ।
২. তিনি কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন।
৩. মানুষকে সৃষ্টি করেছেন।
৪. তাকে প্রকাশের ক্ষমতা (বক্তব্য বাণী) শিক্ষা দিয়েছেন।
৫. সূর্য ও চাঁদ নির্দিষ্ট হিসাব অনুযায়ী চলাচল করে।
৬. তারা (নক্ষত্র ও গাছপালা) আল্লাহর অমান্যতা স্বীকার করে নয়, সকলেই তার নির্দেশে আনুগত্য করে।
৭. তিনি আকাশকে উঁচু করেছেন এবং মাপের ভারসাম্য রেখেছেন।
৮. তাই মাপে কোনো অতিরিক্তি করবেন না।
৯. তিনি পৃথিবীকে জীবজন্তুর জন্য স্থাপন করেছেন।
১০. সেখানে রয়েছে ফলমূল এবং তালগাছ যার মধ্যে বস্তাবন্দী ফল।
১১. এবং শস্য যা দানাদার, আর সুগন্ধি (রইখান) রয়েছে।
১২. তোমরা কোন কোন অনুগ্রহের কথা মিথ্যা বলবে?
১৩. তিনি মানুষকে মাটির মিশ্রিত সাদা মাটির মত সৃষ্ট করেছেন।
১৪. এবং জ্বালানী থেকে জিন সৃষ্টি করেছেন।
১৫. তোমরা কোন কোন অনুগ্রহের কথা মিথ্যা বলবে?
১৬. তিনি পূর্ব ও পশ্চিমের প্রভু।
১৭. তোমরা কোন কোন অনুগ্রহের কথা মিথ্যা বলবে?
১৮. এই দুই দিক থেকে জল বের হয়।
১৯. এই দুই দিক থেকে শস্য উৎপন্ন হয়।
২০. এবং এই দুই দিক থেকে তাল ও ডালিম জন্মায়।
২১. তোমরা কোন কোন অনুগ্রহের কথা মিথ্যা বলবে?
২২. তিনি তোমাদের উপর তার রহমত বর্ষণ করেন।
২৩. হে জিন ও মানুষ! যদি তোমরা আকাশ এবং পৃথিবীর সীমা অতিক্রম করতে পারো, তবে চেষ্টা কর।
২৪. তবে তুমি সেটা পারবে না ছাড়া আল্লাহর অনুমোদন।
২৫. তোমরা কোন কোন অনুগ্রহের কথা মিথ্যা বলবে?
২৬. আল্লাহ তোমাদের উপর আগুনের শিখা ও গরম তামা প্রেরণ করবেন, তবে তুমি প্রতিরোধ করতে পারবে না।
২৭. তোমরা কোন কোন অনুগ্রহের কথা মিথ্যা বলবে?
২৮. তিনি প্রতিটি জিনিস থেকে যুগল সৃষ্টি করেছেন।
২৯. আমি আশা করি যে, আমার প্রভু আমাকে ক্ষমা করবেন।
৩০. তিনি যা গণনা করেছেন সবকিছু নির্দিষ্ট করেছেন।
৩১. আকাশ তার সুতোয় বন্ধন করা হয়েছে।
৩২. এবং পৃথিবী তার ফাটল দিয়ে বিস্তৃত।
৩৩. এই দু’টি থেকে মুক্তি ও মুক্তকণিকা (মুক্তমূল্য রত্ন) বের হয়।
৩৪. তার সৃষ্টি করা জাহাজ (নৌকা) তোমাদের জন্য তৈরি।
৩৫. সমুদ্রের উপর নৌকা তোমাদের সুবিধার জন্য এবং তাঁর অনুগ্রহ খুঁজতে।
৩৬. পাহাড় স্থাপন করেছেন।
৩৭. তিনি রাত এবং প্রভাতের সাক্ষ্য দেন।
৩৮. এবং পাপ ও পর্বতের সাক্ষ্য।
৩৯. তোমরা কোন কোন অনুগ্রহের কথা মিথ্যা বলবে?
৪০. পারফেকশন ও অনুগ্রহের প্রতিদান শুধু পারফেকশন ও অনুগ্রহ।
৪১. কে সে ব্যক্তি যে আল্লাহর দেওয়া এই সব অনুগ্রহ এবং নিকটতম আয়াতগুলো অস্বীকার করবে?
৪২. আকাশ এবং পৃথিবীতে যেসব কণ্ঠ (প্রমাণ) রয়েছে, সেগুলো আল্লাহর সাক্ষ্য বহন করে।
৪৩. এবং তোমাদের অন্তর ও দেহে যে শক্তি রয়েছে, তা তার নিয়ন্ত্রণে।
৪৪. আর যারা আগুনে ঢুকবে, তাদের জন্যও সে প্রস্তুতি রেখেছেন।
৪৫. আর তোমাদের যা জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, আমি তা দিয়েছি, এবং সমস্ত কিছু তোমাদের জন্য প্রস্তুত করেছি।
৪৬. তাই আল্লাহর কোন অনুগ্রহকে তুমি অস্বীকার করবে?
৪৭. যিনি সমস্ত জিনিস যুগল যুগল সৃষ্টি করেছেন।
৪৮. এবং আকাশ ও পৃথিবী, সবকিছু সুষ্ঠুভাবে তৈরি।
৪৯. তাই কোন অনুগ্রহকে তুমি মিথ্যা বলবে?
৫০. তিনি মানুষ ও জিনকে পরীক্ষা করার জন্য সৃষ্টি করেছেন।
৫১. যারা আল্লাহর পথে খণ্ডিত হবে, তারা সফল হবে।
৫২. যারা উপাসনা ও তওবা করবে, তাদের জন্য স্বর্গের প্রতিদান রয়েছে।
৫৩. যারা আল্লাহর রাস্তায় ধৈর্যশীল এবং সহনশীল, তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করবে।
৫৪. এবং তারা পৃথিবীতে শান্তি ও শান্তির সহিত জীবনযাপন করবে।
৫৫. যারা আল্লাহর বানানো প্রতিটি জিনিসের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং সাবধান, তারা বরকতময় হবে।
৫৬. যারা নিষ্ঠা ও তওবা পালন করে, তাদের জন্য স্বর্গের সীমানা প্রস্তুত।
৫৭. যারা সবকিছুর জন্য কৃতজ্ঞ এবং সবকিছুতে আল্লাহকে স্মরণ করবে, তাদের জন্য সুখ শান্তি রয়েছে।
৫৮. যারা আল্লাহর উদ্দেশ্যে নৈতিক ও সৎ জীবন যাপন করে, তারা উত্তম ফলপ্রসূ হবে।
৫৯. যারা আল্লাহর কাছের এবং দয়ালু, তারা সম্মানিত হবে।
৬০. যারা আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী নয়, তারা বরকতময় হবে।
৬১. যে কোনও ভালো কাজের প্রতিদান সবসময় ভালো।
৬২. এবং পৃথিবীতে যে কিছু সুন্দর সৃষ্টি করা হয়েছে, তা কেবল ন্যায়পরায়ণদের জন্য।
৬৩. তোমরা কি দেখছ না, আল্লাহর সব নিদর্শন তোমাদের কাছে প্রকাশিত হয়েছে?
৬৪. এবং যারা খারাপ কাজের পথ অনুসরণ করে, তাদের জন্য শাস্তি আছে।
৬৫. আর যারা বিশ্বাসী এবং ধৈর্যশীল, তারা উত্তম প্রতিদান পাবেন।
৬৬. তোমাদের যা জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, তা আল্লাহ প্রদান করেছেন।
৬৭. যিনি প্রতিটি জিনিস যুগল যুগল সৃষ্টি করেছেন।
৬৮. পাহাড়, নদী, নৌকা, সূর্য-চাঁদ—সবকিছু তার নিয়ন্ত্রণে।
৬৯. আকাশ, সমুদ্র, সবকিছু সৃষ্টির নিদর্শন।
৭০. সমুদ্রের নৌকা তোমাদের সুবিধার জন্য।
৭১. যেসব মানুষ ও জিন চেষ্টা করে, তাদের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা আছে।
৭২. যারা আল্লাহর পথে খণ্ডিত এবং ধার্মিক, তারা সাফল্য পাবেন।
৭৩. যারা ধৈর্যশীল এবং কৃতজ্ঞ, তাদের জন্য স্বর্গের বাগান প্রস্তুত।
৭৪. যারা আল্লাহর কৃপায় সন্তুষ্ট এবং সৎ, তাদের জন্য শান্তি।
৭৫. যারা আল্লাহর উদ্দেশ্যে তওবা ও উপাসনা করে, তাদের জন্য বরকত।
৭৬. যারা কৃতজ্ঞ এবং উপাসনা পালন করে, তাদের জন্য সুগভীর শান্তি।
৭৭. যারা নৈতিক এবং সততা বজায় রাখে, তারা উত্তম প্রতিদান পাবেন।
৭৮. এই সব অনুগ্রহ ও কৃপা আল্লাহর পক্ষ থেকে। তাই তোমরা কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?
সূরা আর-রাহমানের ফযিলত
- সূরার নাম “আর-রাহমান” আল্লাহর দয়ালু ও করুণাময় নামের উপর প্রতিষ্ঠিত। এটি পড়লে মুসলিম হৃদয়ে আল্লাহর করুণা ও অনুগ্রহের প্রতি বিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।
- আয়াতের পুনরাবৃত্তি “ফাবাইয়া আলা’ই রাব্বিকুমা তুকাদ্দিজ্বান” মানুষের স্মরণ শক্তি উন্নত করে। এটি মুখস্থ করলে সহজেই ধৈর্য, কৃতজ্ঞতা ও প্রার্থনার অভ্যাস বৃদ্ধি পায়।
- সকল আয়াতের মধ্যে সৃষ্টি ও নিয়মাবলীর বর্ণনা মানুষের মনকে প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা শেখায়। এটি পড়ার মাধ্যমে আল্লাহর সৃষ্টি ও নিয়মের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।
- রজুকৃত আয়াত এবং প্রতিদানের আশ্বাস
- যারা সূরাটি নিয়মিত পড়ে, আল্লাহ তাদের জন্য ধৈর্যশীল ও ধনসম্পদে বরকত প্রদান করেন।
- দুঃখ-কষ্ট, রোগ ও বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
- স্বর্গের বর্ণনা
- সূরার বিভিন্ন আয়াতে জানানো হয়েছে, যারা আল্লাহর পথে বিশ্বাসী ও ধৈর্যশীল তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে।
- এটি মুসলিমদের আধ্যাত্মিক প্রেরণা জোগায়।
- শান্তি ও কৃতজ্ঞতা বৃদ্ধি
- নিয়মিত সূরাটি পড়া মানুষের অন্তরে শান্তি, ধৈর্য, আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা জন্মায়।
- এটি নৈতিক উন্নতি ও দৈনন্দিন জীবনে আল্লাহর স্মরণকে শক্তিশালী করে।
- হাদিস ও ঐতিহ্য অনুসারে ফযিলত
- হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত হাদিস অনুযায়ী, যে ব্যক্তি সূরা আর-রাহমান পাঠ করে, আল্লাহ তাকে দুনিয়ার কষ্ট থেকে মুক্তি দিবেন এবং মৃত্যুর পর জান্নাতে উচ্চ স্থান প্রদান করবেন।
- যারা অসুস্থ বা ক্লান্ত, তারা সূরাটি পড়লে আধ্যাত্মিক শান্তি অনুভব করেন।
- মুখস্থ করার সুবিধা
- সূরার পুনরাবৃত্তি এবং সহজ উচ্চারণ মুখস্থ করার জন্য সহজ।
- এটি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক সকলের জন্য উপযুক্ত।
- রোজার সময় ও বিশেষ প্রার্থনায় পাঠ
- সূরা আর-রাহমান বিশেষভাবে শবে কদর ও রমজানের রাতের ইবাদতে পড়া উত্তম।
- এটি পাপমোচন ও আল্লাহর নৈকট্য লাভে সহায়ক।
- শুনলে মনের শান্তি ও অনুপ্রেরণা
- সূরার মধুর উচ্চারণ শুনলে মন শান্ত হয়, অধ্যাত্মিক উন্নতি ঘটে এবং আল্লাহর প্রতি ভক্তি বৃদ্ধি পায়।
